পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের ক্ষেত্রে বর্তমান সরকারের উদ্যোগকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত বলে অভিহিত করেছেন পানি বিশেষজ্ঞ ড. আইনুন নিশাত।
তিনি বলেছেন, এই সিদ্ধান্তের মধ্যদিয়ে দেশে আইনগত অধিকার প্রতিষ্ঠা হলো এবং এর ফলে বাংলাদেশ বহুমুখী সুবিধা পাবে। তবে এই ব্যারাজের পূর্ণাঙ্গ সুফল ঘরে তুলতে বাংলাদেশের আরও ২০ থেকে ৩০ বছর সময় লেগে যাবে।
শনিবার (১৬ মে) ফারাক্কা লংমার্চ দিবস উপলক্ষে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপি আয়োজিত এক আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
গঙ্গা চুক্তির ভবিষ্যৎ এবং আঞ্চলিক পানি বণ্টনের ওপর গুরুত্বারোপ করে ড. আইনুন নিশাত বলেন, ‘গঙ্গা ব্যারাজ চুক্তি নবায়নের ক্ষেত্রে এবার মাত্র কয়েক বছরের জন্য নয়, বরং অনন্তকালের জন্য চুক্তি করতে হবে।’ একই সঙ্গে ফারাক্কা ব্যারাজ দিয়ে বাংলাদেশের জন্য পর্যাপ্ত পানি নিশ্চিত করতে প্রতিবেশী দেশগুলোকেও যথাযথভাবে প্রভাবিত করার তাগিদ দেন এই বিশিষ্ট পানি বিশেষজ্ঞ।
একই অনুষ্ঠানে পানি ও পরিবেশগত সংকটের পাশাপাশি দেশের সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি বলেন, ‘পানি সমস্যা, পরিবেশ সমস্যার পাশাপাশি সাম্প্রদায়িক সমস্যাও বিরাট আকার ধারণ করছে। যে উগ্র সাম্প্রদায়িকতার বিকাশ ঘটছে, সেটি নিয়ন্ত্রণ দরকার।’ ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীও সাম্প্রদায়িকতা উসকে দিচ্ছেন বলে এ সময় তিনি অভিযোগ করেন।
আঞ্চলিক রাজনীতি ও প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে দলের অবস্থান পরিষ্কার করে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় আরও বলেন, ‘প্রতিবেশীর সঙ্গে ঝগড়া করব না, তবে দাসত্বের শৃঙ্খলেও আটকে থাকব না।’
ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে আয়োজিত এই আলোচনা সভায় বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতারা এবং দেশের বিশিষ্ট নাগরিকরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা দেশের নদী ও পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।
তিনি বলেছেন, এই সিদ্ধান্তের মধ্যদিয়ে দেশে আইনগত অধিকার প্রতিষ্ঠা হলো এবং এর ফলে বাংলাদেশ বহুমুখী সুবিধা পাবে। তবে এই ব্যারাজের পূর্ণাঙ্গ সুফল ঘরে তুলতে বাংলাদেশের আরও ২০ থেকে ৩০ বছর সময় লেগে যাবে।
শনিবার (১৬ মে) ফারাক্কা লংমার্চ দিবস উপলক্ষে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপি আয়োজিত এক আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
গঙ্গা চুক্তির ভবিষ্যৎ এবং আঞ্চলিক পানি বণ্টনের ওপর গুরুত্বারোপ করে ড. আইনুন নিশাত বলেন, ‘গঙ্গা ব্যারাজ চুক্তি নবায়নের ক্ষেত্রে এবার মাত্র কয়েক বছরের জন্য নয়, বরং অনন্তকালের জন্য চুক্তি করতে হবে।’ একই সঙ্গে ফারাক্কা ব্যারাজ দিয়ে বাংলাদেশের জন্য পর্যাপ্ত পানি নিশ্চিত করতে প্রতিবেশী দেশগুলোকেও যথাযথভাবে প্রভাবিত করার তাগিদ দেন এই বিশিষ্ট পানি বিশেষজ্ঞ।
একই অনুষ্ঠানে পানি ও পরিবেশগত সংকটের পাশাপাশি দেশের সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি বলেন, ‘পানি সমস্যা, পরিবেশ সমস্যার পাশাপাশি সাম্প্রদায়িক সমস্যাও বিরাট আকার ধারণ করছে। যে উগ্র সাম্প্রদায়িকতার বিকাশ ঘটছে, সেটি নিয়ন্ত্রণ দরকার।’ ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীও সাম্প্রদায়িকতা উসকে দিচ্ছেন বলে এ সময় তিনি অভিযোগ করেন।
আঞ্চলিক রাজনীতি ও প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে দলের অবস্থান পরিষ্কার করে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় আরও বলেন, ‘প্রতিবেশীর সঙ্গে ঝগড়া করব না, তবে দাসত্বের শৃঙ্খলেও আটকে থাকব না।’
ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে আয়োজিত এই আলোচনা সভায় বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতারা এবং দেশের বিশিষ্ট নাগরিকরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা দেশের নদী ও পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।
অনলাইন ডেস্ক